Study

মেঘনাদবধ কাব্যের রাবণ চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের রাবণ চরিত্রটি এখানে আলোচনা করা হয়েছে।   `মেঘনাদবধ’ কাব্যের সর্বাধিক আলােচিত চরিত্র রাবণ। তাকে নিয়ে এত আলােচনা সমালােচনার কারণ চরিত্রটিকে মধুসূদন দেখেছেন বাল্মীকিস্কৃত্তিবাসের তুলনায় সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে। যুগের দ্রোহবুদ্ধি এক্ষেত্রে ক্রিয়াশীল তার ভিতরে। বন্ধু রাজনারায়ণকে (মে। ১৫, ১৮৬০) একটি চিঠিতে তিনি লিখছেন, …as a jolly christian youth, I don’t care a pin’s …

মেঘনাদবধ কাব্যের রাবণ চরিত্র Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের নবম তথা অন্তিম সর্গের নাম ‘সংস্ক্রিয়া’। কাব্যের সপ্তম সর্গে রাবণের হাতে নিহত হয়েছিলেন লক্ষ্মণ, অষ্টম সর্গে প্রেতপুরীতে গিয়ে পিতা দশরথের কাছ থেকে তাকে উজ্জীবিত করার উপায় জেনে এসেছেন রাম; নবম সর্গ শুরু হচ্ছে রাম-বাহিনীর আনন্দোল্লাস দিয়ে। অর্থাৎ ইতিমধ্যে লক্ষ্মণ পুনরুজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন। বিধি-বিড়ম্বিত রাবণের কানে সে আনন্দধ্বনি পৌঁছাতেই সে অনুমান করেছে দেবানুকূল্যে নিশ্চয়ই …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’ Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু অষ্টম সর্গ ‘প্রেতপুরী’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের অষ্টম সর্গের নাম ‘প্রেতপুরী’। সপ্তম সর্গ শেষ হয়েছিল লঙ্কেশ্বর রাবণের হাতে লক্ষ্মণের মৃত্যুতে। অষ্টম সর্গ শুরু হয়েছে সূর্যাস্তের পর, আঁধার যুদ্ধক্ষেত্রে। লক্ষ্মণের মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। রামচন্দ্র তাঁর পাশে ভূমিতে লুটিয়ে বিলাপ করছেন, শােকাভিঘাতে মূচ্ছা যাচ্ছেন কখনাে। বিভীষণ, হনুমান, নল, নীল, সুগ্রীব, অঙ্গদ, শরভ, সুমালী প্রভৃতি বীরেরা শােকম-দশায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। যুদ্ধভূমিতে …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু অষ্টম সর্গ ‘প্রেতপুরী’ Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু সপ্তম সর্গ ‘শক্তিনির্ভেদ’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের সপ্তম সর্গের নাম ‘শক্তিনির্ভেদ’। এ নামকরণের সার্থকতা খতিয়ে দেখার জন্য আগে এর কথাবস্তু স্মরণ করা জরুরি। ষষ্ঠ সর্গে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষ্মণের হাতে নিহত হয়েছে মেঘনাদ। ভােরের আলাে ফুটতেনা-ফুটতেই ঘটে যাওয়া এই নিদারুণ ঘটনার বার্তা বহিঃপ্রকৃতিতে কোথাও নেই।

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু ষষ্ঠ সর্গ ‘বধ’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের নাম কবি দিয়েছেন ‘বধ’। এই বধ বলতে বােঝানাে হয়েছে মেঘনাদবধকে। সর্গটির নামকরণের সার্থকতার বিচারে আমাদের পর্যালােচনা করতে হবে এই ঘটনাটিই সর্গে উপস্থাপিত কথাবস্তুর কেন্দ্রীয় ঘটনা কিনা। যদি তা হয়, তবে এ নামকরণকে আমরা শিল্পসঙ্গত বলব, কেননা উপস্থাপিত বিষয়ের কেন্দ্রীয় ঘটনার নামে রচনার নামকরণ শিল্পশাস্ত্রসম্মত। স্মরণ্য, এই সর্গের নামকে গুরুত্ব দিয়েই সমগ্ৰ …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু ষষ্ঠ সর্গ ‘বধ’ Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু পঞ্চম সর্গ ‘উদ্যোগ’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের পঞ্চম সর্গের নাম কবি দিয়েছেন ‘উদ্যোগ’। এ সর্গে উপস্থাপিত ঘটনাবলীর পর্যালােচনা করলেই এ নামকরণের যাথার্থ্য নির্ধারণ করা যাবে। ‘মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গে দেখি প্রিয়ভ্রাতা বীরবাহুর মৃত্যুর পর বিপন্ন পিতার সমরসজ্জার সংবাদ পেয়ে প্রমােদকানন থেকে মেঘনাদ লঙ্কায় এসেছিলেন পিতাকে নিরস্ত

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু চতুর্থ সর্গ ‘অশোকবন’

সৰ্গারম্ভে নমষ্ক্রিয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনাকে মহাকাব্যের অন্যতম শর্ত হিসাবে নির্ধারণ করেছিলেন বিশ্বনাথ কবিরাজ। চতুর্থ সর্গে সাহিত্যদর্পন’কারের এই শর্তটি মধুসূদন পালন করেছেন সহর্ষে। এর কারণ এ সর্গে তিনি সরাসরি অনুসরণ করেছেন বাল্মীকিকে।

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু তৃতীয় সর্গ ‘সমাগম’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের তৃতীয় সর্গের নাম কবি দিয়েছেন ‘সমাগম’। প্রথম সর্গে আমরা দেখেছিলাম ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে দেবী লক্ষ্মী প্রমােদকাননে মেঘনাদকে বীরবাহুর মৃত্যু সংবাদ এবং পিতার যুদ্ধ-যাত্রার প্রস্তুতির সংবাদ পৌঁছে দিয়েছিলেন। সেই সংবাদে উদ্বিগ্ন ও ক্রুদ্ধ মেঘনাদ পত্নী প্রমীলার কাছে ত্বরায় আমি আসির ফিরিয়া’ বলে বিদায় নিয়ে গিয়েছিলেন লঙ্কায়। সেখানে পিতৃ-আদেশে যুদ্ধযাত্রার পূর্বে ইষ্টদেবতার আরাধনায় ব্যাপৃত হন …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু তৃতীয় সর্গ ‘সমাগম’ Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু দ্বিতীয় সর্গ ‘অস্ত্রলাভ’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের দ্বিতীয় সর্গের নাম কবি দিয়েছেন ‘অস্ত্রলাভ’। নামকরণটি শিল্পসঙ্গত হয়েছে কিনা তার পর্যালােচনায় এ সর্গে উপস্থাপিত ঘটনাধারার সমায়ােজনটি লক্ষ্য করা দরকার। দ্বিতীয় সর্গের কথারম্ভ দেবদেবী বন্দনা বা পূর্বজ কবিদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়নি, হয়েছে প্রকৃতির বর্ণনা দিয়ে এবং তা সান্ধ্য বা নৈশ প্রকৃতিঃ ‘অস্তে গেলা দিনমণি; আইলা গােধূলি একটি রতন ভালে।’ …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু দ্বিতীয় সর্গ ‘অস্ত্রলাভ’ Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু প্রথম সর্গ ‘অভিষেক’

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম কবি দিয়েছেন ‘অভিষেক’। এ নাম নান্দনিক দৃষ্টিতে সার্থক হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে গেলে আগে দেখে নিতে হবে এ সর্গে কথাবস্তুর সর্বমােট সমায়ােজন কি-রকম। কাব্যারম্ভে অমৃতভাষিণী দেবী সরস্বতীর আহ্বান ও বন্দনা প্রসঙ্গেই স্পষ্ট হয়ে গেছে যে কাব্যের বর্ণির্তব্য ঘটনা শুরু হল রাবণ-নন্দন বীর বীরবাহুর মৃত্যুর অব্যবহিত পরেই। …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু প্রথম সর্গ ‘অভিষেক’ Read More »