Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please consider supporting us by whitelisting our website.

Literature

জাগরী উপন্যাসের নীলু চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের নীলু চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের নীলু চরিত্র   মাস্টার সাহেবের ছোট ছেলে, বিলুর ছোট ভাই জাগরী উপন্যাসের নীলু শেষ ভাবুক কথক। ফাঁসির আদেশের মূল কারণ সে ।ছোটবেলা থেকেই সে জেদি,একগুঁয়ে স্বভাবের। বড় দাদা বিলুকে ছাড়া সে আর কাউকে ভয় করে না। তার দৃষ্টিভঙ্গীরও চিন্তা- ভাবনার মধ্যে সূক্ষ্ম- তার অভাব ।তাই বিলু তার সম্পর্কে যথার্থই বলেছে- ” নীলুর মন …

জাগরী উপন্যাসের নীলু চরিত্র Read More »

চৈতন্য অবতারের কারণ

চৈতন্য অবতারের কারণ

চৈতন্য অবতারের কারণ   নবদ্বীপলীলায় শ্রীচৈতন্যদেবের তাঁর আবির্ভাবের সময় থেকেই কৃষ্ণাবতার রূপে পূজিত। কিন্তু চৈতন্যাবতারের হেতু কি? দ্বাপরযুগে শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হয়েছিলেন কংস-নিধন ও ভূভার হরণের জন্য। প্রচলিত ধারণা কলিযুগের পাপ হরণের জন্য শ্রীচৈতন্যরূপে স্বয়ং ভগবানের পুনরাবির্ভাব। প্রথম বাংলা চৈতন্যচরিত কার বৃন্দাবন দাস লিখেছেন- “কোন হেতু কৃষ্ণচন্দ্র করে অবতার। কার-শক্তি আছে তত্ত্ব জানিতে তাহার।।” আপনি পড়ছেন …

চৈতন্য অবতারের কারণ Read More »

জাগরী উপন্যাসের বাবা চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের বাবা চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের বাবা চরিত্র   সরকারী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সৎ ও আদর্শবান, গান্ধীবাদে অবিচল সংসার সম্পর্কে উদাসীন, দেশ- প্রেমিক, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে রাজনীতি বিশ্লেষক, ভগবানে বিশ্বাসী বাবা উপন্যাসের শেষে এক স্নেহময় পিতা। সতীনাথ পিতা ইন্দুভূষণ, পূর্ণিয়া কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা গোকুলকৃষ্ণ রায় ও সর্বোপরি পুরুলিয়ার ঋষিতুল্য হেডমাস্টারমশাই শ্রী নিবারণচন্দ্র দাশগুপ্তের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আলোচ্য জাগরী উপন্যাসের বাবা …

জাগরী উপন্যাসের বাবা চরিত্র Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের মেঘনাদ চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের মেঘনাদ চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের মেঘনাদ চরিত্র   মেঘনাদবধ কাব্যের কেন্দ্রীয় আকর্ষন “মেঘনাদ”, দেব-দৈত্য-নর-ত্রাস, কবুর কুলের গর্ব, বাসব- বিজয়ী। কিন্তু বীরত্ব বা পরাক্রম এই চরিত্রের যথাসর্বস্ব নহে। পৌরুষের মূর্ত প্রতীক বলিলেও ইহার সমগ্রপরিচয় দেওয়া হয় না। পৌরুষের সহিত মানবতার বিচিত্র আবেদনের অপার্থিব সমন্বয় রচিত হইয়াছে মেঘনাদ চরিত্র-এর কাঠামো যাহার নমুনা প্রাচ্য- পাশ্চাত্য কোনো সাহিত্যে অবিকল খুঁজিয়া পাওয়া যায় …

মেঘনাদবধ কাব্যের মেঘনাদ চরিত্র Read More »

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র ” যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে আমি বাইব না, আমি বাইব না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে।” জীবন-মৃত্যুর সন্ধিস্থলে দাঁড়িয়ে এহেন মর্মবিদারী অনুভূতির রসে জারিত চরিত্রটি জাগরী উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চরিত্র। ৩৩বছর বয়সী পূর্ণ সান্যাল বা বিলু (জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র) নীতি-আদর্শে, আচার- ব্যবহারে, উদারতায়- মহানুভবতায়, মাতৃভক্তিতে-ভ্রাতৃ প্রীতিতে,একনিষ্ঠ …

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র   “প্রমীলা” মাইকেলের চরিত্রসৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন। মেঘনাদের জীবনের ঐশ্বর্য ও মৃত্যুর মহিমা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করিবার জন্য কবি মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র এর অবতারণা করিয়াছেন। মেঘনাদবধ কাব্য বীর ও করুণরস প্রধান, কিন্তু ইহার মধ্যে যে জিনিসটি সর্বাপেক্ষা প্রোজ্জ্বল হইয়া উঠিয়াছে তাহা হইল গার্হস্থ্য- জীবনের পবিত্রতা। প্রমীলা, সীতা, সরমা এবং মন্দদরী, এই চারটি …

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র Read More »

জাগরী উপন্যাসের মা চরিত্র | নারী চরিত্র

জাগরী: নারী চরিত্র —সুজাতা কোলে জাগরী উপন্যাসের মা চরিত্র এখানে আলোচনা করা হয়েছে “কিছুক্ষণের মধ্যেই তো চতুর্দিক অন্ধকারে ঢাকিয়া যাইবে। … তাই বোধহয় শেষ মুহূর্তের এই চঞ্চলতা,” – এ ভাবনা বিলুর এবং একথাগুলি জগৎ সংসারের সকল সজীব বিষয়ের ক্ষেত্রেই বােধহয় প্রযােজ্য। অস্তায়মান সূর্য পশ্চিমে অদৃশ্য হবার আগে আকাশটিকে রাঙিয়ে দিয়ে যেতে চায় শেষবারের মত, পাখিরা …

জাগরী উপন্যাসের মা চরিত্র | নারী চরিত্র Read More »

স্কুল বুক সোসাইটি ও পাঠ্যপুস্তক

স্কুল বুক সোসাইটি সম্পর্কে গোপাল হালদার তাঁর ‘বাঙালা সাহিত্যের রূপ-রেখা’য় যা বলেছেন স্কুল বুক সোসাইটি ও পাঠ্যপুস্তক স্কুল কলেজে পাঠ্যপুস্তকরূপে সাহিত্য-গ্রন্থও পঠিত হয়, কিন্তু পাঠ্যপুস্তক সাধারণতঃ সাহিত্যের মানদণ্ডে সাহিত্য বলে গ্রাহ্য হয় না। তবে বিষয়-মাহাত্ম্য ও লিপিকুশলতার কোনো কোনাে পাঠ্য-পুস্তক সে গৌরব নিশ্চয়ই অর্জন করতে পারে। বাঙলা ভাষায় গদ্য-সাহিত্য যতক্ষণ উদ্ভূত হয়নি ততক্ষণ পর্যন্ত যে …

স্কুল বুক সোসাইটি ও পাঠ্যপুস্তক Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের নবম তথা অন্তিম সর্গের নাম ‘সংস্ক্রিয়া’। কাব্যের সপ্তম সর্গে রাবণের হাতে নিহত হয়েছিলেন লক্ষ্মণ, অষ্টম সর্গে প্রেতপুরীতে গিয়ে পিতা দশরথের কাছ থেকে তাকে উজ্জীবিত করার উপায় জেনে এসেছেন রাম; নবম সর্গ শুরু হচ্ছে রাম-বাহিনীর আনন্দোল্লাস দিয়ে। অর্থাৎ ইতিমধ্যে লক্ষ্মণ পুনরুজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন। বিধি-বিড়ম্বিত রাবণের কানে সে আনন্দধ্বনি পৌঁছাতেই সে অনুমান করেছে দেবানুকূল্যে নিশ্চয়ই …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’ Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু অষ্টম সর্গ ‘প্রেতপুরী’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের অষ্টম সর্গের নাম ‘প্রেতপুরী’। সপ্তম সর্গ শেষ হয়েছিল লঙ্কেশ্বর রাবণের হাতে লক্ষ্মণের মৃত্যুতে। অষ্টম সর্গ শুরু হয়েছে সূর্যাস্তের পর, আঁধার যুদ্ধক্ষেত্রে। লক্ষ্মণের মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। রামচন্দ্র তাঁর পাশে ভূমিতে লুটিয়ে বিলাপ করছেন, শােকাভিঘাতে মূচ্ছা যাচ্ছেন কখনাে। বিভীষণ, হনুমান, নল, নীল, সুগ্রীব, অঙ্গদ, শরভ, সুমালী প্রভৃতি বীরেরা শােকম-দশায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। যুদ্ধভূমিতে …

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু অষ্টম সর্গ ‘প্রেতপুরী’ Read More »