Month: June 2020

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র ” যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে আমি বাইব না, আমি বাইব না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে।” জীবন-মৃত্যুর সন্ধিস্থলে দাঁড়িয়ে এহেন মর্মবিদারী অনুভূতির রসে জারিত চরিত্রটি জাগরী উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চরিত্র। ৩৩বছর বয়সী পূর্ণ সান্যাল বা বিলু (জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র) নীতি-আদর্শে, আচার- ব্যবহারে, উদারতায়- মহানুভবতায়, মাতৃভক্তিতে-ভ্রাতৃ প্রীতিতে,একনিষ্ঠ …

জাগরী উপন্যাসের বিলু চরিত্র Read More »

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র   “প্রমীলা” মাইকেলের চরিত্রসৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন। মেঘনাদের জীবনের ঐশ্বর্য ও মৃত্যুর মহিমা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করিবার জন্য কবি মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র এর অবতারণা করিয়াছেন। মেঘনাদবধ কাব্য বীর ও করুণরস প্রধান, কিন্তু ইহার মধ্যে যে জিনিসটি সর্বাপেক্ষা প্রোজ্জ্বল হইয়া উঠিয়াছে তাহা হইল গার্হস্থ্য- জীবনের পবিত্রতা। প্রমীলা, সীতা, সরমা এবং মন্দদরী, এই চারটি …

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রমীলা চরিত্র Read More »

প্রমীলা চরিত্র

মধুসূদনের প্রমীলা চরিত্রটি নবযুগের নব সাহিত্যের সূচনার পরিচয়

মধুসূদনের প্রমীলা চরিত্রটি নবযুগের নব সাহিত্যের সূচনার পরিচয় অন্তঃপুরে কুলবধূকে বহির্বিশ্বের বীরাঙ্গনাররূপে চিত্রিত করে মধুসূদন প্রমীলা চরিত্রে নূতনতর প্রাণধর্ম আরোপ করিয়াছেন।নবযুগের নবসাহিত্যের অবলম্বন এই প্রাণধর্ম। প্রকৃতপক্ষে মধুসূদনের যে সর্বাতিশায়ী কল্পনা মেঘনাদবধ কাব্যের রচনা আর মূলে রহিয়াছে, তাহাই এই চরিত্রটিকে বিশিষ্টরূপে মন্ডিত করিয়েছে। মধুসূদনের কাব্যাত্মাই ইহার মধ্যে সঞ্চারিত হইয়া ইহা কে প্রাণবান কোরিয়া তুলিয়াছে।