Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please consider supporting us by whitelisting our website.

মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের নবম তথা অন্তিম সর্গের নাম ‘সংস্ক্রিয়া’

কাব্যের সপ্তম সর্গে রাবণের হাতে নিহত হয়েছিলেন লক্ষ্মণ, অষ্টম সর্গে প্রেতপুরীতে গিয়ে পিতা দশরথের কাছ থেকে তাকে উজ্জীবিত করার উপায় জেনে এসেছেন রাম; নবম সর্গ শুরু হচ্ছে রাম-বাহিনীর আনন্দোল্লাস দিয়ে। অর্থাৎ ইতিমধ্যে লক্ষ্মণ পুনরুজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন। বিধি-বিড়ম্বিত রাবণের কানে সে আনন্দধ্বনি পৌঁছাতেই সে অনুমান করেছে দেবানুকূল্যে নিশ্চয়ই বেঁচে উঠেছে নিহত রামানুজ। মন্ত্রী সারণ তাকে জানিয়েছে, মহারাজের অনুমান সত্য, দেবাত্মা গন্ধমাদন পর্বত নিজে এগিয়ে এসে লক্ষ্মণকে বাঁচিয়ে তােলার মহৌষধ দান করেছেন। লক্ষ্মণ বেঁচে ওঠাতেই উল্লাস করছে রাঘবপক্ষীয় সৈন্যরা।

সততই হতাশায় ভেঙে পড়েছে রাবণ। যমও যখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, সেক্ষেত্রে রাক্ষসদের গৌরবসূর্য অবশ্যই অস্তগামী। রাবণ কুম্ভকর্ণ ও ইন্দ্রজিতের মৃত্যুর জন্য (লক্ষণীয় এখানে সে বীরবাহুর জন্য শােকপ্রকাশ করেনি; চিত্রাঙ্গদার পুত্র বীরবাহু রাবণের কতখানি হৃদয় জুড়ে ছিল তা ভেবে দেখার বিষয়) হাহাকার করেছে; এ দু’জন যখন আর ফিরে আসবে না তখন তারই বা প্রাণধারণের প্রয়ােজন কি? যাই হােক, শােক সম্বরণ করে রাবণ উদ্যোগী হয়েছে ইন্দ্রজিতের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়। মন্ত্রী সারণের মাধ্যমে রামের কাছে সে অনুরােধ করে পাঠিয়েছে যে আগামী সাতদিন তিনি শত্রুভাব পরিত্যাগ করুন, পুত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পালনের অবকাশ দিন লঙ্কেশ্বরকে ; বিপক্ষের বীরকে সম্মান করা বীরধর্ম, রামচন্দ্র যেন সে বীরধর্ম পালন করেন (বিচার্য, লক্ষ্মণের মৃতদেহ টেনে তুলে আনতে গিয়েছিল যেরাবণ, তার মুখে বীরধর্মের কথা শােভা পায় ?)। বিধি তাঁর প্রতি প্রসন্ন, রাবণের প্রতি বিরূপ; রাম বিপন্ন রাক্ষসপতির অনুরােধ রক্ষা করুন।

হরষিত শিবিরাভ্যন্তরে প্রবেশ করে মন্ত্রী সারণ রামচন্দ্রকে রাবণের এই প্রার্থনা নিবেদন করলে রাম সঙ্গে-সঙ্গেই তা অনুমােদন করেন, রক্ষমন্ত্রীকে তিনি বলেন, রাবণ তাঁর পরম শত্রু হলেও এখন বিপন্ন, নিজ ধর্মের জন্যই তিনি বিপন্ন ব্যক্তিকে আক্রমণ করবেন না। তার এই অনুজ্ঞায় কৃতার্থ হয়ে মন্ত্রী সারণ যে রাম-বন্দনা করে, তাতে মনে হয়, রক্ষোকুলশ্রেষ্ঠ রাবণ এবং নরকুলশ্রেষ্ঠ রামের মধ্যে দ্বন্দ্ব তার অনভিপ্রেত ছিল। রামকে সে ‘বিদ্যা, বুদ্ধি, বাহুবলে অতুল জগতে বলে অভিনন্দিত করে।

রাম তার সৈন্যবাহিনীকে সাতদিন নিরস্ত্র থাকার আদেশ দেন।

অশােকবনে সীতার কাছে আবার আসেন সরমা। রাক্ষসরা দুদিন ধরে কেন হাহাকার করছে, কার জয়েকার পরাজয়ে বিগত সন্ধ্যায় রাক্ষসরা জয়নাদ করে ফিরে এল এসবের কারণ কিছুই জানা নেই সীতার। ত্রিজটাকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে রক্তচোখে ধারালাে তরবারি নিয়ে তাকে সে কাটতে এসেছিল (এ বর্ণনা ঠিক নয়; ব্রিজটা রাক্ষসী হলেও সীতার প্রতি দয়ালু ছিল, বিভিন্ন চেড়ীদের হাত থেকে এবং রাবণের নানা ষড়যন্ত্র। থেকে সেই সীতাকে বারবার রক্ষা করেছে। অন্যান্য চেড়ীরা তাকে রক্ষা করেছে। সরমার কাছে সীতা জানতে চান যুদ্ধের খবর। সরমা জানান লক্ষ্মণ কর্তৃক মেঘনাদ-হত্যার কথা; জানান সে-জন্যই সারা লঙ্কা কাদছে; তিনি আরাে জানান-রাবণের অনুরােধে ইন্দ্রজিতের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পালনের জন্য সাতদিন যুদ্ধ না করার অঙ্গীকার করেছেন রামচন্দ্র। ইন্দ্রজিং পত্নী সতী প্রমীলা স্বামীর সঙ্গে সহমরণে চলেছে, যা স্বয়ং রতিও করেননি যখন তার স্বামীকে ভস্ম করেছিলেন মহাদেব।

—মেঘনাদ-নিধন সংবাদে এবং রাবণের দুর্গতির জন্য আনন্দিত হলেও, সারা লঙ্কার বেদনা ও নির্দোষ সতী প্রমালীর বিষম চিত্তাভিঘাতে সীতার কোমল হৃদয়ে ব্যথা জাগে। সরমাকে তিনি বলেন, অত্যন্ত ভাগ্যহীনা তিনি, তাই যেখানেই যান সেখানেই অমঙ্গল ঘটান। অরই ভাগ্যের দোষে তার যুবরাজ স্বামী রাজপুত্র দেবর এখন বনবাসী, শ্বশুর মারা গেছেন পুত্রশােকে, অযােধ্যার রাজসিংহাসন শূন্য, তারই ভাগ্যদোষে মারা গেলেন জটায়ু, তারই কারণে মারা গেল ইন্দ্রজিৎ, আরাে কত বীর। সরমা তাকে বােঝান—দোষ তার নয়, তাকে যে অপহরণ করে এনেছে সব পাপ তারই। অতঃপর লঙ্কার দুর্ভাগ্যে তারা দুজনেই অশ্রুপাত করেন।

এদিকে লঙ্কার পশ্চিম দুয়ার দিয়ে নির্গত হয় মেঘনাদের শবযাত্রা। শত শত স্বর্ণদণ্ডে পতাকা উড়িয়ে নীরবে এগিয়ে চলে পতাকীরা, শােকস্তব্ধ হয়ে চলে চতুরঙ্গ সেনা, আর কাতারে কাতারে চলে রাক্ষস। কালাে ঘােড়ায় চেপে নৃমুণ্ডমালিনী চলে মলিনবদনে, চোখের জলে ভিজে যায় তার ব; তার পেছনে অসংখ্য চেড়ী, তারা কেউ চিৎকার করে কাদছে, কেউ বা নীরবে। তাদেরই মধ্যে চলেছে প্রমীলার ঘােড়া-বড়বা। তার পিঠে প্রমীলার বীরবেশ এবং অসি, ঢাল, ধনুক, তুণ প্রভৃতি অস্ত্রশস্ত্র। সকলে তার উপর খই, কড়ি, স্বর্ণমুদ্রা ছেটাচ্ছে। গায়িকা গাইছে করুণগীতি। বুক থাবড়ে কাদছে রাক্ষসীরা।

এরপর বেরিয়ে এসেছে ইন্দ্রজিতের মেঘবর্ণ রথ। তাতে তার ভয়ঙ্কর ধনু, তুণীর, ফলক, খড়গ, গদা প্রভৃতি অস্ত্র, তার বর্ণোজ্জ্বল কিরীট, কবচ ও অন্যান্য বীরসজ্জা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। স্বর্ণমুদ্রা ছড়ানাে হচ্ছে, ছেটানাে হচ্ছে সুগন্ধিত জল, তবু বীরপদাঘাতে রেণু উঠছে ঊর্ধ্বে। গায়কেরা গাইছে করুণগীত। রথ এগিয়ে যাচ্ছে সিন্ধুতীরের দিকে।

সােনার শিবিকায় স্বামীর মৃতদেহের পাশে বসে আছে প্রমীলা। কপালে সিঁদুর তার, গলায় ফুলমালা। বিবিধ ভূষণে সজ্জিতা সে। চামরিণী তাকে চামর ডুলাচ্ছে কাঁদতে কাঁদতে, ফুল ছড়াচ্ছে শােকাতুর মেয়েরা। হাহাকারে উত্তাল শবযাত্রা। প্রমীলা নিজে নিস্তব্ধ, যেন তার প্রাণ দেহ ছেড়ে চলে গেছে প্রিয়তমেরই সঙ্গে। রক্ষোরথীরা হাতে খােলা তরবারি নিয়ে নীরবে সঙ্গে চলেছে। বেদজ্ঞেরা জোরে জোরে বেদমন্ত্র উচ্চারণ করছেন। হােত্রীরা মন্ত্র জপ করে নিয়ে যাচ্ছেন হবি। রক্ষোবধুরা নিয়ে যাচ্ছে বিবিধ অলঙ্কার, বস্ত্র, কস্তুরী, কেশর, কুকুম, ফুল। সােনার প্রদীপ জ্বলছে। বাজছে ঢাক, ঢােল, ঝাঁঝরি, করতাল; উলুধ্বনি করা হচ্ছে।

শ্বেতবস্ত্র, শ্বেত উত্তরী পরিধান করে সাশ্রনয়নে চলেছে রাবণ। বেদনার্ত মন্ত্রীরা তার চারপাশে নীরব। তাদের পেছনে-পেছনে কাদতে কাঁদতে চলেছে লঙ্কার আবালবৃদ্ধ বণিতা।

রামচন্দ্র অঙ্গদকে নির্দেশ দিলেন দশহাজার সৈন্য নিয়ে সেই শােকযাত্রায় শিষ্টাচারে যােগ দিতে। আকাশপথে ইন্দ্র, শচী, কার্তিক, চিত্ররথ, পবন, যম প্রভৃতি দেবতারা এলেন বীর মেঘনাদকে শেষ সম্মান জানাতে; এলেন গন্ধর্ব, অপ্সরা, দেবর্ষি, দেবকন্যারাও।

সাগরতীরে চিতা প্রস্তুত করা হল। সমুদ্রের জলে স্নান করে প্রমীলা একে একে দান করে দিল তার সব অলঙ্কার। তারপর গুরুজনদের প্রণাম করল, সখিদের ফিরে যেতে বললেন নিজ দেশে। মায়ের কথা স্মরণ করে বাকরুদ্ধ হয়ে গেল তার, চোখ দিয়ে বয়ে এল অশ্রু প্লাবন। তারপর, আত্মসংবরণ করে গর্ভধারিণীকে সে একথাই জানাতে অনুরােধ করল যে, ললাট-লিখন ফলেছে তার ভাগ্যে, পিতা-মাতা তাকে যাঁর হাতে সপেছিলেন তারই সঙ্গেই সে চলে যাচ্ছে।

চিতায় আরােহণ করে প্রসন্ন চিত্তে সতী বসল স্বামীর পদতলে। খোঁপায় তার ফুলমালা। বাজনা বাজছিল, উচ্চারিত হচ্ছিল বেদমন্ত্র, রাক্ষসনারীরা উলুধ্বনি করছিল, বর্ষিত হচ্ছিল ফুল, রক্ষোবালারা দিচ্ছিল কেশর কুঙ্কুম। পশুহত্যা করে তাদের মাথা ঘিয়ে ভিজিয়ে সাজিয়ে রাখছিল রক্ষেরা। তখন রাবণ এসে কাতর স্বরে এই বলে রােদন করতে লাগল যে তার ইচ্ছা ছিল মেঘনাদের হাতে রাজ্যভার অর্পন করে, পুত্রবধূ প্রমীলাকে রক্ষারাণী রূপে অধিষ্ঠিত করে, সুখে মহাযাত্রা করবে, কিন্তু বিধি তাকে প্রবঞ্চনা করল। সারাজীবন শিবের আরাধনা করে সে এই ফল পেল? শূন্য লঙ্কায় ফিরে গিয়ে মন্দোদরীকে কি বলব সে?

রাবণের শােক দেখে কৈলাসে ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন মহাদেব, কিন্তু মুহূর্তেই তাঁকে নিরস্ত করলেন পার্বতী। তার অনুরােধেই তিনি ক্ষমা করলেন রামকে; অগ্নি দেবকে আদেশ দিলেন রাক্ষস-দম্পতিকে দ্রুত কৈলাসে নিয়ে আসতে।

সকলেই দেখতে পেল প্রজ্জ্বলিত চিতাগ্নি থেকে বহ্নিদীপ্ত রথ উঠে গেল আকাশের দিকে; তাতে সােনার আসনে দিব্যমূর্তি মেঘনাদ ও মধুরহাসিনী প্রমীলা।

দুধ ঢেলে চিতা নিভিয়ে, চিতাভস্ম সমুদ্রে বিসর্জন দিয়ে, দাহস্থল গঙ্গাজলে ধুয়ে ফেলল রাক্ষসেরা। শিল্পীরা সেখানে সােনার হঁটে দ্রুত নির্মাণ করল আকাশচুম্বী মঠ।

তারপর সমুদ্রের জলে স্নান সেরে রাক্ষসেরা ফিরে গেল লঙ্কায়, সাতদিন শােকমগ্ন। থাকল সমগ্র লঙ্কা।

—এই হল নবম সর্গের কথাবস্তু। এ সর্গের বর্ণির্তব্য বিষয় একটাই—মেঘনাদের অন্তিমযাত্রা তথা তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। রাঘবপক্ষের হরষিত প্রভাতােদয়ে সর্গের কথার করলেও অবিলম্বে কবি তার বর্ণিত মূল বিষয়ে প্রবেশ করেছেন। তারপর শােকাকুল শােকাত্রা ছাড়া আর কোনাে প্রসঙ্গই স্থান পায়নি বর্ণনাক্রমে; একচিত্তে কবি পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে বর্ণনা করে গেছেন মেঘনাদের শবযাত্রা এবং তার অন্তিমসংস্কার। রাম বা সীতা সরমার শােকও এসে মিলেছে এই শােকার্ল ঘটনাস্রোতে। ফলে প্রারম্ভিককতিপয় পংক্তি বাদ দিয়ে সমগ্র সর্গটি হয়ে উঠেছে মেঘনাদের অস্তিসংস্কারের একটি দীর্ঘায়ত ও নিটোল চিত্রকল্প। অতএব, এ সর্গের নাম যে কবি দিয়েছেন সংস্ক্রিয়া’ তা যথার্থ তাে বটেই, নির্বিকল্পও।

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের গ্রন্থনায় এ সর্গ সংযুক্তির উপযােগিতার দিকটিও পর্যালােচনার যােগ্য। মেঘনাদ মারা গেছে কাব্যের ষষ্ঠ সর্গে, অনেকের মতে কাব্যটি শেষ হওয়া উচিত ছিল সেখানেই। কিন্তু তা করা হলে সেটা হত ছােটগল্পের সমাপ্তি বা নাটকীয় পরিসমাপ্তি। ‘মেঘনাদবধ’ মহাকাব্য। লঙ্কা প্রত্যাগত রামের রাজ্যাভিষেকে শেষ হয়নি রামায়ণ’, কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পর পাণ্ডবদের ভারতভূমির নিঃসপত্ন অধিকার লাভ করাতেই শেষ হয় নি মহাভারত। মধুসূদনও তেমনি তার ’noble fellow’-র জীবনের পূর্ণ বৃত্তান্ত না শুনিয়ে পারেননি। তার মতাে বীরকে অন্যায় ভাবে নিহত হতে দেখে দেশজোড়া গুণমুগ্ধদের মধ্যে দু-ধরণের প্রতিক্রিয়া হয় উত্তুঙ্গ ক্রোধে ও সান্ত্বনাহীন বেদনা। এই দুই প্রতিক্রিয়ারই ছবি আঁকলেন মধুসূদন কাব্যের সপ্তম ও নবম সর্গে। বস্তুত এই দুই সর্গের কোনােটিকে বাদ দিলে তাতে মেঘনাদ-হত্যা ঘটনার ইতিবৃত্ত খণ্ডিত হয়ে যেত। অতএব, এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে মহাকাব্যের সার্বিক বিশালত্বের ভিতর নবম সর্গের অন্তর্ভুক্তি বেমানান তাে হয়ইনি, বরং ঐ বিশালত্বকে প্রত্যক্ষীভূত করে তুলতে এবং মেঘনাদবধের পূর্ণ ইতিবৃত্ত রূপায়ত করতে Cয সর্গের অন্তর্ভুক্তি ছিল অনিবার্য।

মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য – কৃষ্ণগোপাল রায়

আরো পড়তে পারেন

Spread the love

9 thoughts on “মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’”

  1. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের রাবণ চরিত্র

  2. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু ষষ্ঠ সর্গ ‘বধ’ - Debota Hembram

  3. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু অষ্টম সর্গ ‘প্রেতপুরী’ - Debota Hembram

  4. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু সপ্তম সর্গ ‘শক্তিনির্ভেদ’ - Debota Hembram

  5. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু তৃতীয় সর্গ ‘সমাগম’ - Debota Hembram

  6. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু চতুর্থ সর্গ ‘অশোকবন’ – Debota Hembram

  7. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু দ্বিতীয় সর্গ ‘অস্ত্রলাভ’ – Debota Hembram

  8. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু প্রথম সর্গ ‘অভিষেক’ – Debota Hembram

  9. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু পঞ্চম সর্গ ‘উদ্যোগ’ » Debota Hembram

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *