মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু সপ্তম সর্গ ‘শক্তিনির্ভেদ’

‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের সপ্তম সর্গের নাম ‘শক্তিনির্ভেদ’। এ নামকরণের সার্থকতা খতিয়ে দেখার জন্য আগে এর কথাবস্তু স্মরণ করা জরুরি।

ষষ্ঠ সর্গে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষ্মণের হাতে নিহত হয়েছে মেঘনাদ। ভােরের আলাে ফুটতেনা-ফুটতেই ঘটে যাওয়া এই নিদারুণ ঘটনার বার্তা বহিঃপ্রকৃতিতে কোথাও নেই।

উদিত হয়েই সূর্য তার আলাে রাশি ঢেলে দিয়েছে পৃথিবীর উপর, খুশিতে ভরে গেছে পৃথিবী। পদ্ম ফুটেছে, ফুটেছে সূর্যমুখী।

তৃতীয় সর্গে সূর্যমুখীর কাছে কেঁদেই তাে প্রমীলা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, নির্দিষ্ট সময়ে প্রাণপ্রিয় সূর্যকে রােজই পাবে সূর্যমুখী, কিন্তু প্রমীলা হারাবে না তাে তার সূর্যকে! আজও সূর্যোদয়ে প্রফুল্ল সূর্যমুখী, প্রমীলার সূর্যই শুধু আর উঠবে না। সপ্তম সর্গের যখন শুরু তখনাে সে জানে না সেই নিদারুণ সংবাদ, যদিও অচিরাতে পেয়ে যায় অশুভ ইঙ্গিত। স্নানান্তে অলঙ্কার ধারণ করতে গিয়ে আঘাত লাগে তার দেহে, প্রাণ কেঁদে ওঠে দূরে কোথাও ষষ্ঠ সর্গে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষ্মণের হাতে নিহত হয়েছে মেঘনাদ। ভােরের আলাে কান্নার ধ্বনি শুনে। সখীকে সে বলে স্বামীকে যুদ্ধযাত্রায় নিবারণ করতে; ব্যাকুল চিত্তে ছুটে যায় শিবমন্দিরে শাশুড়ী মন্দোদরীর কাছে।

কৈলাসে বিষন্ন মহাদেব। প্রিয়ার প্রার্থনা পূর্ণ করার পর এখন তিনি ভক্ত রাবণের শােকে ল। অনুচর বীরভদ্রকে রক্ষদূতবেশে লঙ্কায় যেতে বলেন তিনি, রুদ্রতেজে পূর্ণ করতে বলেন রাবণকে। বীরভদ্র প্রথমে নিকুন্তিলা যজ্ঞাগারে গিয়ে মৃত ভূলুণ্ঠিত ইন্দ্রজিৎকে দেখেন ফেল নয়নে, তারপর রক্ষদূত-বেশে রাবণের রাজসভায় গিয়ে দূতােচিত আচরণে রাজাকে জানান-‘হত রণে আজি / ক্ব্বুর-কুলে গর্ব মেঘনাদ রথী।

কল্পনাতীত এ দুঃসংবাদ শােনামাত্র রাবণ আর্তনাদ করে মূচ্ছিত হয়ে পড়ে ভূতলে। আর্তনাদ করে ওঠে সভাসদেরা।

বীরভদ্র রুদ্রতেজে দ্রুত রাবণের জ্ঞান ফিরিয়ে আনলে সে জানতে চায় কার হাতে নিহত হল। ইন্দ্রজিৎ! ছদ্মবেশী বীরভদ্র জানান ছদ্মবেশে যজ্ঞাগারে প্রবেশ করে লক্ষ্মণ তাকে হত্যা করেছে। মন্দিরে পড়ে রয়েছে তার মৃতদেহ। তিনি আরাে বলেন, পুত্রশােকভুলে রাজা পুত্রহত্যার প্রতিশােধ নিন আজ যুদ্ধে, কুলাঙ্গনা এবং রাজ্যের প্রজারা তাতেই কিছুটা স্বস্তি পাবে।

বীরভদ্র অকস্মাৎ অদৃশ্য হলে রাবণ দেখতে পায় দীর্ঘজটা এবং ত্রিশূলছায়া। তখন। কৃতার্থ হয় সে শিবের মহিমায় এবং মুহূর্তে প্রস্তুত হয় তাঁর আজ্ঞা পালনে।

শৈবতেজে বলীয়ান রাবণের সক্রোধ আহ্বানে লঙ্কার সমস্ত বীরেরা অবিলম্বে বীরসাজে সজ্জিত হয়ে বেরিয়ে আসে মেতে ওঠে রণমদে। আসে উদগ্র, বাস্কল, অসিলােমা, বিড়লাক্ষ ইত্যাদি রক্ষসেনাপতিরা। তাদের হাতে শেল, শক্তি, জাটি, তােমর, ভােমর, শুল, মূষল, মুদগর, পট্টিশ, নারাচ, কৌন ইত্যাদি ভয়ঙ্কর অস্ত্র। তাদের দাপাদাপিতে সমুদ্র উথলে ওঠে, অসুরদলনী দেবী চণ্ডীর মতাে গর্জন করতে থাকে তারা।

লঙ্কার ঘন ঘন কম্পনে শিবিরে চমকে উঠে রামচন্দ্র তার কারণ জানতে চান মিত্র বিভীষণকে এবং বিভীষণ সে কারণ-ব্যাখ্যা করলে রামচন্দ্র তাঁকে সুগ্রীব, অঙ্গদ, নল, নীল, হনুমান, জাম্বুবান, শরভ, গবাক্ষ, রক্তাক্ষ প্রভৃতি সৈনাধ্যক্ষদের অবিলম্বে ডাকতে বললেন। সৈনাধ্যক্ষদের সম্বােধন করে রামচন্দ উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং সেক্ষেত্রে তার অভীপ্সা ব্যাখ্যা করলে তারা সকলে শপথ করে—মরিব, নহে মারিব রাবণে। রামচন্দ্রের জয়ধ্বনি দিয়ে গর্জন করে ওঠে তারা। প্রভৃতি সৈনাধ্যক্ষদের অবিলম্বে ডাকতে বললেন।

রাক্ষসদের যুদ্ধোদ্যম দেখে রক্ষকুল-রাজলক্ষ্মী চলে যান স্বর্গে। দেবতারা তখন নৃত্যগীতাদি উপভােগে মগ্ন। দেবরাজ ইন্দ্রকে তিনি বলেন লক্ষ্মণ তার শত্রুকে নিধন করেছে, কিন্তু লক্ষ্মণকে নিধন করার জন্য তৈরী হচ্ছে রাক্ষসপতি, দেবরাজ ইন্দ্রের উচিত লক্ষ্মণকে রক্ষা করা। ইন্দ্র বলেন, ইন্দ্রজিৎ-হীন-রাবণকে কোনাে ভয় নেই। তিনি স্বর্গের উত্তরে সদা প্রস্তুত বিপুল দেবসৈন্য দেখান রমাকে।

যুদ্ধোন্মত্ত লঙ্কার রাজসভায় মন্দোদরী এসে তখন লুটিয়ে পড়ে রাবণের পায়ে। স্বামী তাকে অতি যত্নে তুলে ধরে বােঝায় কাদার সময় পাওয়া যাবে সারা জীবন, এখন পুত্রহত্যার প্রতিশােধ নেওয়ার সময়, রাণী যেন চোখের জলে তার ক্রোধের আগুন নিভিয়ে দেয়। সখীরা ধরাধরি করে মন্দোদরীকে নিয়ে যায় অন্তঃপুরে। কালক্ষেপ না করে রাবণ সেদিনের যুদ্ধের বিশেষ তাৎপর্য বুঝিয়ে সৈন্যাধ্যক্ষ ও সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে বলে—এ যুদ্ধ

রাক্ষসকুলের গর্ব মেঘনাদকে অন্যায়ভাবে হত্যা করার প্রতিশােধ নেওয়ার যুদ্ধ। একথা শােনা মাত্র বেদনাঘাতে উদ্দীপ্ত রক্ষোসৈন্য গর্জন করে ওঠে, আর সে গর্জনের প্রতিবাদে প্রতিগর্জন করে রামচন্দ্রের সৈনাধ্যক্ষ ও সেনারা। আসন্ন হয় যেন প্রলয়ের কাল। ভয়ার্ত বসুধা যান নারায়ণের কাছে। লঙ্কায় দেব-রক্ষনর শক্তির ভয়ঙ্কর যুদ্ধোদ্যোগ দেখে নারায়ণ স্বীকার করেন যে বসুধার উদ্বেগ অমূলক নয়। বসুধাকে তিনি আশ্বাস দেন যে দেবল হরণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করবেন। তারপর বসুধাকে বিদায় দিয়ে নারায়ণ দেববল হরণের আদেশ দেন গরুড়ের।

লঙ্কায় বেধে যায় তুমুল যুদ্ধ। দেবতারাও আক্রমণ করেন রক্ষসৈন্যকে। ইন্দ্র রামকে আশ্বাস দেন যে আজ তিনি লঙ্কা লণ্ডভণ্ড করে দেবেন। উদগ্রের সঙ্গে সুগ্রীবের, বাস্কলের সঙ্গে অঙ্গদের, অসিলােমর সঙ্গে শরভের, বিড়ালাক্ষের সঙ্গে হনুমানের ভয়ঙ্কর যুদ্ধ বাধে। রাবণ লক্ষ্য করে দেবতাদের আগমন। সে ধেয়ে চলে ইন্দ্রের দিকে, কিন্তু তার পথরােধ করেন কার্তিক। শিবপুত্র বলে রাবণ তার সঙ্গে যুদ্ধ করতে না চাইলেও কার্তিক তাকে যুদ্ধে আহ্বান করেন। কিন্তু রাবণের অস্ত্রে পর্যুদস্ত হতে থাকেন তিনি। তখন বিজয়াকে পাঠিয়ে পার্বতী যুদ্ধে থেকে তাঁকে বিরত করেন। এবার আবার রাবণ ছুটে যায় ইন্দ্রের দিকে। গর্পব নর কেউ তার গতিরােধ করতে পারে না। ইন্দ্রজিৎ মারা গেছে, তাই লঙ্কায় আসতে সাহস করেছে নির্লজ্জ ইন্দ্র, যদি সে অমর না হত, তবে রাবণ তাকে যমলােকে পাঠাত আজ এইসব ধিক্কারের পর রাবণ দেবরাজকে বলে আজ সে কিছুতেই বাঁচাতে পারবে না লক্ষ্মণকে। জবাবে হুঙ্কার করে ইন্দ্র বজ্র নিক্ষেপ করতে যান, কিন্তু ঠিক সেই সময়েই নারায়ণ-নির্দেশে গরুড় তার শক্তি হরণ করে, আর এই সুযােগে রাবণ তার রথ ভেঙে দেন, গদাঘাতে অবশ করেন ঐরাবতকে। মাতলি অন্য রথে করে ইন্দ্রকে নিয়ে প্রস্থান করেন যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে। তখন রাবণের সামনে আসেন রামচন্দ্র। রাবণ তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ না করে দূরে পুত্রহন্তা লক্ষ্মণকে দেখতে পেয়ে ধাবিত হয় তার দিকে। দেবতা এবং নর-যােদ্ধারা ছুটে যায় লক্ষ্মণকে রক্ষা করতে। রাক্ষসরাও ছুটে যায় রাবণকে দেখে। বিড়ালাক্ষকে পরাভূত করে হনুমান শত্রুর উপর ঝাপিয়ে পড়েন; রাবণ তাকে তীক্ষ্ণ তীক্ষ্ণ তীরে অধীর করলে তিনি শক্তির জন্য পিতা পবনকে স্মরণ করেন। পূবন সাহায্য করেন পুত্রকে। কিন্তু শিবশক্তিতে তেজীয়ান রাবণ পর্যুদস্ত করে তাকে। এরপর রাবণকে প্রতিরােধ করলেন সুগ্রীব। ভ্রাতৃবধুকে বিয়ে করা নিয়ে রাবণ প্রথমে ব্যঙ্গ করে তাকে, সুগ্রীবও তাকে পরস্ত্রীলােভী বলে ধিক্কার দিয়ে পাহাড় ছুঁড়ে আক্রমণ করেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনিও টিকতে পারেন না রাবণের কাছে। তাকে পরাহত করেই রাবণ আক্রমণ করে লক্ষ্মণকে; ঘৃণায় ধিক্কার দেয় লক্ষ্মণকে চোরের মতাে যজ্ঞগৃহে ঢুকে ইন্দ্রজিৎকে হত্যা করার জন্য। লক্ষ্মণ বলেন, পুত্রশােকে রাবণ অধীর, এখনি পুত্রের কাছে পাঠিয়ে তিনি তার শােক নিবারণ করবেন। অতঃপর দুজনের মধ্যে বেধে যায় তুমুল যুদ্ধ। রাবণের সব তীর অবলীলায় খণ্ড খণ্ড করে ফেলেন লক্ষ্মণ। বিস্মিত রাবণ স্বীকার করেন যে কার্তিকের চেয়েও লক্ষ্মণের শক্তি বেশি। তারপর সে নিক্ষেপ করে শক্তিশেল বাণ। লক্ষণ নিহত হন।

লক্ষ্মণের মৃতদেহ তুলে আনতে যায় রাবণ। কিন্তু পার্বতীর আকুলতায় মহাদেব বীরভদ্রকে পাঠিয়ে রাবণকে ক্ষান্ত করেন। শত্রু রক্ত স্নান করে বিজয়ী রাক্ষসসৈন্য ফিরে আসে ঘরে। তাদের বন্দনা করে বন্দীরা। ক্ষুগ্চিত্তে দেবতাদের নিয়ে স্বর্গে ফিরে যান ইন্দ্ মেঘনাদবধ কাব্যের সপ্তম সর্গের কথাবস্তু এই।

লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মেঘনাদ-হত্যার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া এ সর্গে বর্ণিত। কথার ব্যঞ্জনা নিয়ে কথা পূর্ণ, রেশ নিয়ে পূর্ণ সংগীত, ফল নিয়ে পূর্ণ কার্য, তেমনি মেঘনাদ-হত্যার প্রতিক্রিয়া ও পরিণতি নিয়েই পূর্ণায়ত সে হত্যা-ঘটনা। সুতরাং এ সর্গ কাব্যের পক্ষে অপরিহার্য। | এ সর্গের শিরােনাম কবি দিয়েছিলেন—শক্তিনির্ভেদ। সমস্যা হল এই যে শক্তিনির্ভেদ পদবন্ধটির অর্থ সুস্পষ্ট নয় এবং সেইজন্য সমালােচকেরা অনেকেই এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে যান নি, যাঁরা গিয়েছেন তারা সঠিক বিশ্লেষণও করতে পারেননি। আমাদের ধারণা শক্তিনির্ভেদ হল শক্তি দ্বারা ভেদ।

রাবণ কি করে লক্ষ্মণকে শক্তি দ্বারা ভেদ করল—সেটাই এ সর্গের বর্ণিতব্য বিষয়। এখানে শক্তি’ হল শক্তিশেল’, যে-অন্ত্রে রাবণ লক্ষ্মণকে নিহত করেছিলেন। দেবতাদের বাধা, হনুমান, সুগ্রীব, রামচন্দ্রের বাধা দারুণ তেজে অগ্রাহ্য ও পযুদস্ত করে রাবণ দোর্দণ্ড বীর লক্ষ্মণকে যেভাবে হত্যা করল এ সর্গে তারই বীরত্বদ্যোতক বর্ণনায় কবি উৎসাহিত। পৌরাণিক সূত্রে জানা যাচ্ছে যে অস্ত্রে রাবণ লক্ষ্মণকে হত্যা করেছিল, সেটা তার স্বােপার্জিত নয়, মন্দোদরীকে বিয়ে করার যৌতুক হিসাবে তার পিতা ময়দানবের কাছে পাওয়া। এ তথ্য কবি অবশ্য কাব্যে হাজির করেন নি, তবে রাবণের বীরত্ব এতখানি উজ্জ্বল হয়ে ওঠার পিছনে যে নারায়ণ কর্তৃক দেবতাদের বলহরণ এবং তার চেয়েও প্রধানভাবে রয়েছে শিবতেজে রাবণের বলীয়ান হয়ে ওঠা, তা তিনি বর্ণনা করেছেন গুরুত্ব দিয়ে। তবু ‘grand fellow’ রাবণকে দেবানুগ্রহ ছাপিয়ে যে পৌরুষ ও বীরত্ব মহিমায় অভিষিক্ত করেছেন এ-সর্গে, তা সম্ভব হয়েছে রাবণের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় সহানুভূতি এবং তার প্রতিভার কৌলীন্যে। রাবণের এমন বীরমূর্তি একাব্যেও আর দ্বিতীয়বার দেখা যায়নি। পুত্রনিধনে ক্রোধান্ধ রাবণ সব বাধা নস্যাৎ করে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্মণকে কিভাবে শক্তিনির্ভেদ করল, সর্গের যাবতীয় কথাবস্তু তারই রূপায়ন। এজন্যই সর্গের শক্তিনির্ভেদ নামটি সুপ্রযুক্ত এবং শিল্পসম্মত। পদবন্ধটিতে যে দার্টের দ্যোতনা আছে তা এ সর্গে কবির নির্বিকল্প বীররস-চর্চার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য – কৃষ্ণগোপাল রায়

আরো পড়তে পারেন

Spread the love

8 thoughts on “মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু সপ্তম সর্গ ‘শক্তিনির্ভেদ’”

  1. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু তৃতীয় সর্গ 'সমাগম'

  2. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু দ্বিতীয় সর্গ 'অস্ত্রলাভ'

  3. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু চতুর্থ সর্গ 'অশোকবন'

  4. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু নবম সর্গ ‘সংস্ক্রিয়া’ - Debota Hembram

  5. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু ষষ্ঠ সর্গ ‘বধ’ - Debota Hembram

  6. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু চতুর্থ সর্গ ‘অশোকবন’ - Debota Hembram

  7. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের বিষয়বস্তু প্রথম সর্গ ‘অভিষেক’ » Debota Hembram

  8. Pingback: মেঘনাদবধ কাব্যের রাবণ চরিত্র » Debota Hembram

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *