Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please consider supporting us by whitelisting our website.
ফ্রিল্যান্সার হতে চায়

এই দেশে সবাই ফ্রিল্যান্সার হতে চায় অথবা ফ্রীল্যান্সিং করতে চায়

সফলতার জন্য ক্রেডিট সব আমার বা আমাদের ব্যর্থতার জন্য ক্রেডিট সব নন্দ ঘোষ।

এই দেশে সবাই ফ্রিল্যান্সার হতে চায় অথবা ফ্রিল্যান্সিং করতে চায়।

 

ফ্রিল্যান্সার হতে চায়
ফ্রিল্যান্সার হতে চায়
কিন্তু যখনই একটা ভালো ইনস্টিটিউট বা ট্রেইনারের কাছে ট্রেইনিং নেয়ার অথবা কোর্স কেনার প্রয়োজন হয় তখনি কোথা থেকে যেন হতাশা এবং দ্বিধাদ্বন্দ্ব আমাদেরকে গ্রাস করে।
একটি ভালো ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট বা ট্রেইনারের কাছে ট্রেইনিং করতে অথবা কোর্সের দাম হতে পারে? হয়তোবা ১৫-৩০-হাজার টাকা (এভারেজ প্রাইস)।
সবাই শেখার জন্য খুবই আগ্রহী এবং ফ্রিল্যান্সার হতে চায় অথবা ফ্রিল্যান্সিং করতে চায় কিন্তু দক্ষতা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্রে নূন্যতম পরিমান ইনভেস্ট করার মতো মনমানুষিকতা আমাদের থাকেনা।
আমি এইখানে সামর্থ্যের কথা বলবো না কারণ এই সামান্য পরিমান টাকা একটি দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের পথে বাধা হওয়া উচিৎ নয়।
এখন হতে পারে সকলের ফিন্যান্সিয়াল সিচুয়েশন সেম না এবং এটা খুবই সম্ভব বা স্বাভাবিক বিষয় যে অনেকেই হয়তো সত্যি যথেষ্ট খারাপ সময় পার করছেন। কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেক সচ্ছল ফ্যামিলির মানুষকেও এই সেম এবং লেইম এক্সকিউজ দিতে দেখেছি।
আপনার ফিন্যান্সিয়াল অবস্থা যদি এখন খারাপ থাকে তাহলে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেন, আপনার খারাপ অবস্থা কাটিয়ে উঠার জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী হন। যেভাবেই হোক দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ইনভেস্ট করেন।
বিঃদ্রঃ- সফলতার জন্য প্রাথমিক/নূন্যতম একটা যোগ্যতা লাগেই আমি এই বিষয়গুলা এভোয়েড করে যাচ্ছি। যেমনঃ- আপনি একটি ন্যাশনাল বা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব করতে চাচ্ছেন কিন্তু আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা নাই তাহলে এমনটা সম্ভব নয়।
অথবা,
আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন কিন্তু আপনার নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা, কমিউনিকেটিভ ইংলিশ, পিসি/ল্যাপটপ, ইন্টারনেট কানেকশন অথবা কোনো সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমানে দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা নাই তাহলে হবেনা।
সফলতা বিষয়টা এমন যে আপনি যাই করেন না কেন জব অথবা বিজনেস। আপনাকে প্রথমে চিন্তা করতে হবে আপনি কি বিজনেস বা জব করবেন। আপনি নিশ্চই একাই সব ধরণের বিজনেস বা জব একই সাথে করবেন না। এমনটা সম্ভবও নয়।
সময়, শ্রম, মেধার সমন্বয় এবং #কিছু_ক্ষেত্রে টাকা ইনভেস্ট করেই আপনাকে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। সফলতার একটি কমন প্রসেস হচ্ছে ESR (eat, sleep and repeat) তবে বিষয়টা এতটাও সহজ নয়।
অধ্যবসায় সফলতার ক্ষেত্রে অনেক বড়, বাধ্যতামূলক এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
যাইহোক আমার একটা সময় মনমানুষিকতা এমন ছিল যে আমি মানুষের কথা শুনতে চাইতাম না। এখনো যে বিষয়টা থেকে পুরোপুরি রিকোভার করতে পেরেছি বিষয়টা এমন না তবে লাস্ট ৫/৬-মাসে আমি নিজে কথা বলার চাইতে মানুষের কথা শোনাকে বেশি প্রাধান্য দেয়ার চেষ্টা করেছি।
আরো একটা বিষয় ছিল যেটা হচ্ছে আমি নিজের মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিতাম এবং অনেক সময় আমার অনেক নিশ্চিত ভুল/ভুল ধারণাও পরিবর্তন/সংশোধন করতে চাইতাম না।
অনলাইনে কারো সাথে শত্রুতা উচিৎ না এই বিষয়েও আমি সচেতন ছিলাম না। ভার্চুয়ালে শত্রুতা করা সহজ। কারো সাথে খারাপ ব্যবহার এবং শত্রুতা আপনায়ক ক্রমশ অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাবে। সুতরাং বি ফ্রেন্ডলি।
যাইহোক এইসব ব্যাসিক বিষয়ের বাহিরে কিছু টেক্সট বুক ফর্মুলা রয়েছে যেগুলা আমি নিচে র্যান্ডম অর্ডারে আলোচনা করছি।
বিঃদ্রঃ- এইগুলা কোনো অলঙ্ঘনীয়  নিয়ম নয় জাস্ট কনসেপ্ট। সফলতার কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা বা ফর্মুলা নেই তবে মনে রাখবেন পরিশ্রমী মানুষ কখনোই বিফল হয়না।
১) রিস্ক
পৃথিবীতে রিস্ক নাই এমন কোনো কাজ নেই সুতরাং আপনি কোনো কিছু শুরু করার আগে বিচার বিবেচনা করার প্রয়োজন অবশ্যই আছে তবে রিস্কি অথবা নেগিটিভ ধারণা দ্বিধাদ্বন্দের কারণে কাজ শুরু না করেই আমাকে দিয়ে হবেনা এমনটা ভেবে কাজটি শুরুই করলেন না। এইটা বোকামি। হারার আগেই হেরে যাওয়া নয়।
২) আত্মবিশ্বাস।
নিজের উপরে আপনি নিজে বিশ্বাস না করলে আমি বা অন্যরা কখনোই করবেনা। আত্মবিশ্বাস আপনাকে রেসে এক্সট্রা এডভ্যান্টেজ দিবে মনে রাখবেন (Believing In Yourself Is Half The Battle)
৩) মানুষের অপ্রাসঙ্গিক কথায় কান দেয়া যাবেনা।
ফ্রিল্যান্সিং করতে বা ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন কি পারবেন না সেটা সফল ফ্রিল্যান্সার হয়তো বলতে পারবে পান দোকানদার নয় যার ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা নেই। কোনো নির্দিষ্ট সেক্টরে অনভিজ্ঞ লোক আপনাকে শুধু ভুল পরামর্শ দিবেনা পাশাপাশি আপনাকে সম্পূর্ণ ভুল পথে পরিচালিত বা ডিমোটিভেটেড করে দিবে। অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী।
কেউ যেহেতু আপনাকে বসিয়ে বসিয়ে রাজার হলে জীবিকা নির্বাহের পূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছেন সুতরাং একজন তৃতীয় ব্যক্তিকে আপনার জীবন কিভাবে চলবে, আপনি কোন ক্ষেত্রে সফল বা বিফল হবেন এমন সিদ্ধান্তের দায়িত্ব দেয়াটা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।
নিজের লাইফের কন্ট্রোল নিজের হাতেই রাখুন। অন্যের হাতে লাইফের কন্ট্রোলার তুলে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর কোনো উপায় নেই।
৪) বি ফাস্ট।
জীবনটা খরগোশ এবং কচ্ছপের গল্পের মতো নয়। আপনি এখানে পরে শুরু করেও জয়ী হবেন এমন সম্ভাবনা খুব কম। এখানে যত দ্রুত শুরু করবেন ততো ভালো বা দ্রুত সফলতা পাবেন।
যেমনঃ- একটি জব পোস্টে যে সেলার যত দ্রুত ক্লায়েন্টের সাথে ইন্টারেক্ট করতে পারে তার কাজটি সম্ভাবনা পরে ইন্টারেক্ট করা সেলারদের তুলনায় বেশি।
৫) বি এক্টিভ।
যত বেশি এক্টিভ থাকবেন ততো বেশি ভালো ফলাফল পাবেন। বন্ধ দোকানে সচরাচর কোনো ক্রেতা কোনো কিছু ক্রয় করার জন্য যায়না।
৬) পজিটিভ মাইন্ড।
আমি পারবো অথবা সবসময় ভালো কিছু হবে এমনটা আশা করেন। হতাশাগ্রস্ত মানুষের অবস্থা এমন হয় যে, অভাগা যেদিকে তাকায় সাগর শুকিয়ে যায়।
৭) ব্যর্থতা এবং ভুলকে একসেপ্ট করা।
সর্বোচ্চ লেভেলের প্রফেশনালদেরও কম-বেশি ভুল হয় এবং তারাও প্রায় সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয় বা অতীতে কোনো সময়ে হয়তো ব্যর্থ হয়েছে।
আপনি ভুল করতে বা ব্যর্থতাকে ভয় পেলে কখনোই সফল হবেননা। ভুল হবে এবং আপনি ব্যর্থ হবেন। এইসব কে গ্রহণ করে ভুল থেকে শিক্ষা নিবেন ব্যর্থ হলে আবার নতুন করে শুরু করবেন সফলতা নিশ্চিত।
৮) নিজের ব্যর্থতার দায়ভার গ্রহণ করার মতো মনমানুষিকতা।
এইটা আমার নিজের ছিলনা তবে আমি আমার মেন্টালিটি পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। নিজের ভুলের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ না করে বা কোনো ধরণের কারণ দর্শানোর পরিবর্তে যত দ্রুত ভুলের দায় স্বীকার করে নতুন ভাবে শুরু করবেন ততই ভালো। এইটাই ট্রু প্রফেশনালিজম।
৯) বি হেল্পফুল।
Help One Million People And You Will Be A MILLIONAIRE.
আপনার সাধ্য এবং সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষকে সাহায্য বা সহযোগিত করেন।
১০) সবার সেরা মানেই সফলতা নয়।
সফলতার জন্য আপনাকে একদম আইনেস্টাইন বা নিউটন হতে হবে বিষয়টা এমন না আপনাকে চালাক/বুদ্ধিমান বা ধারাবাহিক হতে হবে।
উপরে যা যা বললাম এইগুলা আসলে টেক্সটবুক ফর্মুলা। বড় বড় মোটিভেশন এক্সপার্ট এভাবে বলে তবে বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন।
বাস্তবতা সবসময় টেক্সটবুক ফর্মুলা মেনে চলেনা। জীবন বৈচিত্রময় এই জন্যই আমাদেরকেও ব্যতিক্রমী কিছু করতে হয়।

আসেন বাস্তববাদী হই।

১) লক্ষ্য।
আমি এই বিষয়টাকে একটু অন্য ভাবে দেখি। কারণ লক্ষ্য বলতে আমরা টেক্সট বুকে সবাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সম্পর্কে অবগত। আমি বিষয়টাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভাবে দেখি।
আমার লক্ষ্য হচ্ছে আমি সৎ ভাবে সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দময় লাইফ লিড করতে চাই। আমাকে/আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে এবং জীবনে বেঁচে থাকতে হলে জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি জব বা বিজনেস অথবা অন্যান্য গ্রহণযোগ্য কোনো উপায় থাকতে হবে।
–> আপনি মানুষ। আপনার অন্ন, বস্র এবং বাসস্থানের প্রয়োজন আছে। পৃথিবীতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিনামূল্যে পাওয়া যায়না আর গেলেও সাময়িক সময়ের জন্য যা জীবন ধরণের জন্য যথেষ্ট নয়।
একটি সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দময় জীবন যাপনের জন্য এবং জীবন ধরণের জন্য মৌলিক এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পর্যাপ্ততা সুনিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই টাকার প্রয়োজন আছে। টাকা কেউ এমনি এমনি দিবেনা। আপনাকে আপনার মেধা, সময় এবং শ্রমের বিনিময়ে সৎ উপায়ে টাকা ইনকাম করতে হবে।
আপনার জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমটা কি হবে এটাই হওয়া উচিৎ আপনার লক্ষ্য।
আপনি কোন মাধ্যমটা বা আপনার লক্ষ্যটা কি হবে সেটা বেছে নেয়াটা নির্ভর করে সম্পূর্ণ আপনার নিজের বিচার-বিবেচনা/পছন্দ-অপছন্দের উপরে।
আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং করতে বা ফ্রীল্যান্সার হতে চান তাহলে কোন সেক্টরে কাজ করবে দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট রূপে নির্ধারণ/সিলেক্ট করুন।
২) অতিরিক্ত লক্ষ্য।
আপনার মূল লক্ষ্যের পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট সময় ভিত্তিক উপ/অতিরিক্ত লক্ষ্য নির্ধারণ করুন যেমনঃ- আমি গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবো এবং এই সুনির্দিষ্ট টাইমের ভিতরে আমি আমার পারিবারিক ঋণ শোধ করবো, একটি নতুন কম্পিউটার কিনবো, দেশের বাহিরে ঘুরতে যাবো অথবা আমার বাবা-মায়ের জন্য কোনো একটা সারপ্রাইজিং কিছু করবো ইত্যাদি।
৩) ব্লুপ্রিন্ট।
একটি সুন্দর পরিকল্পিত প্ল্যান। একটি বাড়ি বানানোর আগেই মানুষে তার ডিজাইন করে পরবর্তীতে সেই ডিজাইন অনুযায়ী সামনে এগিয়ে যায় এর ফলে ঠিক কোন স্টেপ এর পরে কোন স্টেপ আসবে এমন একটা পূর্ব ধারণা থাকে যার ফলে কাজটি সহজ এবং নির্ভুল হয়। বাড়ির জিজাইনটি যদি হয় বাড়ি নির্মাণের জন্য ব্লুপ্রিন্ট থামলে আপনার ফ্রীল্যান্সার হওয়ার ক্ষেত্রেও এমন একটি ব্লুপ্রিন্ট থাকা জরুরি।
ফ্রীল্যান্সিংয়ে এই ব্লুপ্রিন্ট একপ্রকার বাধ্যতামূলক বিষয়।
৪) মাইন্ডসেট।
দৃঢ় সংকল্প। একটা কিছু শুরু করলে যত বাধাই আসুক না কেন আপনি প্রতিজ্ঞা করেন যে আমি সফল না হওয়া পর্যন্ত হার মানছিনা বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।
৫) ইনভেস্ট।
সময়, শ্রম, মেধা এবং টাকা।
এই সবই ইনভেস্ট। কখনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সময়, শ্রম এবং মেধা ইনভেস্ট করতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে টাকাও লাগে।
আপনি যদি আপনার সময়, শ্রম এবং মেধা ইনভেস্ট করতে ভয় না পান তাহলে একজন ট্রেইনার, ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অথবা একটি কোর্স ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে ভয় পান কেন?
সমস্যা সবারই আছে। ১৫-৩০-হাজার একদম হাতের ময়লা আমি এমন বলছিনা তবে যদি দক্ষতা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ব্যয় করেন তাহলে খুব বেশিও নয়।
সুতরাং শিক্ষা এবং শিক্ষককে যোগ্য সন্মান করুন। আমাদের দেশে অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন ইনস্টিটিউট, ট্রেইনার এবং কোর্স রয়েছে তবে আমরা সব রিসোর্স অথবা সব দক্ষ, যোগ্য এবং অভিজ্ঞ ট্রেইনার বা ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট সম্পর্কে জানিনা।
আবার অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ তাদের দক্ষতা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার সঠিক মূল্যায়ন পায়না তাই সচরাচর আত্মপ্রকাশ-ও করেন না।
আমরা যোগ্য ব্যক্তিকে অবমূল্যায়ন করি। বাজারে অনেক সস্তা ইনস্টিটিউট, কোর্স এবং অযোগ্য ট্রেইনার রয়েছে কিন্তু আমরাও মনমানুষিকতার দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছি।
আপনাকে আমাকে বুঝতে হবে কমন নাম #আম হলেও সব আমের স্বাদ এবং দাম কিন্তু এক নয়।
৬) ধৈর্য।
রাতারাতি কিছু হয়না। যথেষ্ট পরিমানে দক্ষতা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার সমন্বয়েই সফলতা পাওয়া সম্ভব। তাছাড়া পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ী হওয়ার বিষয়টাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৭) আপনার স্ট্রং এবং উইক পয়েন্ট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখুন।
আপনি যে বিষয়ে দক্ষ বা যোগ্য ওই জোনেই থাকুন এবং কাজ করুন। প্রয়োজনে আপনার স্ট্রং যে দিক সেটা নিয়ে পাবলিসিটি করুন। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ বা যোগ্য নন এমন কোনো কিছু সামনে আসলে সরাসরি না বলতে শিখুন। খামাখা লোভে পরে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার কিন্তু হটাৎ ক্লায়েন্টের অফারে ওয়েব ডিজাইনের কাজ নিয়ে অহেতুক বিড়ম্বনায় পড়ার কোনো মানে হয়না।
আপনার দক্ষতা এবং যোগ্যতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা আপনি একজন ট্রু প্রফেশনাল এই বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং ক্লায়েন্টের মনেও পজিটিভ ইম্প্রেশন তৈরী করতে সাহায্য করেন।
#এক্সট্রা।
এইসবের পাশাপাশি আনুষাঙ্গিক অন্নান্য আরো অনেক বিষয় আছে যেমনঃ – ইংরেজিতে দক্ষতা।
ভালো ইনস্টিটিউট বা ভালো ট্রেইনারের কাছে প্রশিক্ষণ এবং ভালো কোর্স ১০০% সফল হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো গ্যরান্টি প্রদান করেনা তবে আপনি যুদ্ধে নামার আগে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন এই বিষটা নিশ্চিত করে এবং আপনার মোরাল বুস্ট করতে অবশ্যই সয়াহতা করে।
অনেক মানুষ আছে যারা হয়তো সর্বোচ্চ লেভেলের সুযোগ সুবিধা ছাড়াই সাফল্যের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এমন যারা আছে তারা হচ্ছে ফাইটার। এই ধরণের মানুষ ব্যর্থতার জন্য নিজেদের অপারগতা বা ভাগ্যকে দোষারোপ না করে সফলতাকে টার্গেট করে এগিয়ে গেছে এবং যথারীতি সফল হয়ে বসে আছে।
সুতরাং নিজের ব্যর্থতার জন্য কোনো ট্রেইনার, ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কোর্স, আপনার অর্থনৈতিক মন্দ, ভাগ্য বা অপারগতাকে দোষারোপ করার আগে আপনার মনমানুষিকতা, সময়, শ্রম, মেধা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কিছু টাকা ইনভেস্ট করা ইত্যাদির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
আমাদের সফলতা যেমন আমাদের উপরে নির্ভর তেমনি আমাদের ব্যর্থতার জন্যও আমরাই দায়ী।
পরিশেষে বি পজিটিভ/আমি পারবো এই ফর্মুলায় বিশ্বাস করেন।
বিঃদ্রঃ-
বানান ভুল আছে হয়তো, এর জন দুঃখিত।
আমার পয়েন্ট গুলা ধারাবাহিক অর্ডারে লিখতো নয় আমার যখন যেটা মনে এসেছে সেটাই লিখেছি।
ধন্যবাদ।
লেখক: Tasmia Tabassum
আমি কিছু বানান সংশোধন করার চেষ্টা করেছি

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *